Search This Blog
Followers
Thursday, October 8, 2020
বিজেপি নবান্ন অভিযান ঘিরে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল হাওড়া ।
মধ্য গুড় গুড়িয়া গ্রামে একাধিক চাষী পেল সরকারি নানান পরিষেবা
বৃহস্পতিবার বিকালে মধ্য গুরগুরিয়া গ্রামে এলাকার চাষীদের বেশকিছু সরকারি পরিষেবা প্রদান করেন দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা পরিকল্পনা কমিটি ও সুন্দরবন উন্নয়ন পরিষদ কমিটির সদস্য গোপাল মাঝি।পশ্চিম বঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মাননীয়া মমতা ব্যানার্জীর অনুপ্রেরণায় সুন্দরবন উন্নয়ন বিষয়ক মন্ত্রী মন্টুরাম পাখিরার সহযোগিতায় মধ্য-গুড়গুড়িয়া গ্রোথ সেন্টার হইতে ১২৫জন চাষী বন্ধুদের প্রত্যেকের হাতে ৫ কেজি করে, NPK সার 18 জন চাষীদের হাতে একটি করে ড্রাম. ও 22 জন চাষীর হাতে নেট তুলে দেওয়া হয় | চাষীদের হাতে তুলে দেন জেলা পরিকল্পনা কমিটি ও সুন্দরবন উন্নয়ন পরিষদ কমিটির সদস্য গোপাল মাঝি, বিশিষ্ট সমাজসেবী অর্জুন কৃষ্ণ বায়েন ও বিমল মন্ডল.| অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পঃ সমিতির সদস্য পীযুষবরণ দাস, শিক্ষক হিমাংশু দাস, সুনীল জানা এবং সেন্টারের ইনচার্জ সুব্রত নস্কর প্রমুখ| আমফন সুপার সাইক্লোন বিধ্বস্ত এলাকার মানুষ ওই সামগ্রী পাওয়ার তাঁরা খুব খুশী |
Tuesday, September 29, 2020
কর্মক্ষেত্রে বিশেষ সুরক্ষা র দাবী নিয়ে আশা কর্মীদের বিক্ষোভ
করোনা আবহে কর্মক্ষেত্রে সুরক্ষার অভাব নিয়ে পথে নামলো আশা কর্মীরা। মঙ্গলবার সকালে হাওড়ার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় একশর বেশি আশা কর্মী মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক এর অফিসে জমায়েত হয়ে বিক্ষোভ দেখান। তারা ডেপুটেশন জমা দেন।
আশা কর্মীদের অভিযোগ, করোনা পরিস্থিতিতে গ্রামের বাড়ি বাড়ি গিয়ে গত ছয় মাস কাজ করলেও তারা কোন সুরক্ষা সরঞ্জাম পাচ্ছেন না। মাস্ক, স্যানিটাইজার, পি পি ই, ফেস শিল্ড, গ্লাভস এবং সাবান কিছুই সাব সেন্টার অফিস থেকে তাদের দেওয়া হয় না। অনেক আশা কর্মী করোনায় আক্রান্ত হলেও সরকার থেকে কোন আর্থিক সহযোগিতা পাচ্ছেন না। এর পাশাপাশি করোনার জন্য 1000 টাকা অতিরিক্ত ভাতা তাদের দেওয়া হচ্ছে না। তাদের দাবি চাকরিতে নিরাপত্তা, 21 হাজার টাকা বেতন এবং পিএফ, গ্র্যাচুয়িটি সহ সুযোগ সুবিধা দিতে হবে। জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ভবানী দাস সুরক্ষা সরঞ্জাম না দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি দাবি করেন আশা কর্মীদের জন্য সব ধরনের সুরক্ষা সরঞ্জাম দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান আশা কর্মীদের দাবি পত্র তিনি বিবেচনার জন্য স্বাস্থ্য ভবনে পাঠিয়ে দেবেন।
বারুইপুর সংশোধনগারের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করল মানবাধিকার সংগঠন সি পি ডি আর
বারুইপুর: বারুইপুর সংশোধনগারে (জেলে) প্রায় ২৫ জন বন্দী ও পুলিশ কর্মী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।
যতদিন যাচ্ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে এই সংশোধনগারে। সরকার বাড়তি সতর্কতা নেওয়ার কথা যখন বলছে, উন্মুক্ত সংশোধনাগারগুলোতে প্যারোল এক্সটেন্ড করেছে তখন বারুইপুর জেলে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ। সেই কারণে একগুচ্ছ দাবি নিয়ে মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে বারোটা নাগাদ জেলার সামনে বিক্ষোভ ও ডেপুটেশন কর্মসূচি পালন করল এই মানবাধিকার সংগঠন। এদের দাবি.....
১) বারুইপুর জেলে করোনা আক্রান্ত সকল বন্দী ও পুলিশ কর্মীদের উন্নত চিকিৎসা পরিষেবা নিশ্চিত করতে হবে।
২) সকল বন্দীদের প্যারোলে এবং প্যারোল এক্সটেন্ড করে মুক্তি দিতে হবে।
৩) জেলের অভ্যন্তরে করোনা আক্রান্ত পুলিশ ও কর্মীদের চিকিৎসা সুনিশ্চিত করতে হবে।
৪) জেল খালি করে সম্পূর্ণভাবে স্যানিটাইজ করতে হবে।
৫) জেলের অভ্যন্তরে উপযুক্ত চিকিৎসা ও মানোন্নয়নের পরিকাঠামো দ্রুত উন্নত করতে হবে।
বাড়ি বাড়ি পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হলো "জলস্বপ্ন" প্রকল্পের মাধ্যমে
।
তালদি গ্রাম পঞ্চায়েতের আদলা গ্রামের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বপ্নের প্রকল্প "জলস্বপ্ন" ২০১৭ সালে এই প্রকল্পের শিলান্যাস করা হয়। ৬৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে, এই প্রকল্প টি তৈরি করা হয় আদলা গ্রামে। সেই দিন থেকে পাড়ায় পাড়ায় জলের পাইপ লাইন গেলেও বাড়িতে বাড়িতে জল পৌঁছায়নি। রবিবার আনুষ্ঠানিকভাবে বাড়িতে বাড়িতে জলের লাইন পৌঁছে দেওয়ার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন ক্যানিং পশ্চিম এর বিধায়ক শ্যামল মন্ডল দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার জেলা পরিষদের বিদ্যুতের কর্মদক্ষ শৈবাল লাহিড়ী,ক্যানিং থানার আধিকারিক, তালদি পঞ্চায়েতের উপপ্রধান কালীচরণ মাল ও পিএইচ ই ইঞ্জিনিয়ারের আধিকারিক। প্রায় ১৭০০ টি পরিবার অর্থাৎ সাড়ে আট হাজার মানুষজন এই পানীয় জলের পরিষেবা পাবেন জানালেন বিধায়ক শ্যামল মন্ডল। এই মঞ্চ থেকে জানানো হয় যে অবৈধভাবে পাইপ কেটে জমিতে জল দেওয়া বা অন্য কাজে লাগালে আইনানুগভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বাড়িতে বাড়িতে জলের লাইন পৌঁছে দেওয়া খুশি এলাকাবাসী। কিন্তু এই সরকারই প্রকল্পের অনুষ্ঠানে দেখা গেল দলীয় পতাকা যাকে ঘিরে কটাক্ষ বিজেপির।
জলঙ্গীতে তক্ষক সহ গ্রেফতার এক
তক্ষক সহ গ্রেপ্তার এক জলঙ্গিতে, ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার সকালে মুর্শিদাবাদের জলঙ্গি থানার ভাদুড়িয়াপাড়া কলিকাহারা গ্রাম এলাকায়,
চোরা শিকারিদের দাপটে দিনের পর দিন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে প্রাকৃতিক সম্পদ, নষ্ট হচ্ছে বাস্তু তন্ত্র।শিকারিদের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছেনা হরিণ থেকে শুরু করে সুন্দরবনের রয়েল বেঙ্গল টাইগার ও।সাধারণ মানুষের সহযোগিতায় বনকর্মীরা নজরদারি বাড়িয়ে তা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালাচ্ছেন।তা সত্বেও মাঝেমধ্যেই ধরা পড়ছে চোরা শিকারিদের নানান চক্র। এবার তক্ষক সহ গ্রেপ্তার এক দুষ্কৃতী জলঙ্গিতে, ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার সকালে মুর্শিদাবাদের জলঙ্গি থানার ভাদুড়িয়াপাড়া কলিকাহারা গ্রাম এলাকায়, গোপন সূত্র পুলিশ খবর পায় ভাদুরিয়া পাড়া এলাকায় এক ব্যক্তি তক্ষক কেনাবেচা করছে,
সাথে সাথে জলঙ্গি থানার পুলিশ হানা দেয় ওই এলাকায় গ্রেফতার করে তক্ষক সহ হাফিজুল মণ্ডলকে,হাফিজুল ওই তক্ষক কোথা থেকে পেল কেনই বা এখানে নিয়ে এসেছিল তা জানার চেষ্টা করছে জলঙ্গি থানার পুলিশ ।
আজ জলঙ্গির থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিক শ্রী উৎপল দাস বন দপ্তরের হাতে উদ্ধার হওয়া ঐ তক্ষকটি তুলে দেন।
Saturday, September 19, 2020
বাংলাদেশে পাচারের সময় গরু ও আগ্নেয়াস্ত্র সহ যন্ত্র চালিত বোট আটক করলো সুন্দরবন উপকূল থানার পুলিশ
শুক্রবার গভীর রাতে সুন্দরবন উপকূল থানার পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পায় কালিদাসপুর পঞ্চম ঘাটের বিপরীতে মরিচ ঝাঁপি জঙ্গলের কাছে সশস্ত্র কয়েকজন দুষ্কৃতি যন্ত্র চালিত বোটে গরু নিয়ে বাংলাদেশের দিকে যাচ্ছে।সাথে সাথে অভিযান চালিয়ে একটি যন্ত্র চালিত নৌকা আটক করে পুলিশ। পুলিশ আসছে জানতে পেরে ওই যন্ত্রচালিত নৌকোয় থাকা দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। এফ আই বি পুলিশ অভিযানকারী বিশেষ দলটি ঐ যন্ত্র চালিত নৌকা তল্লাশি চালিয়ে ৯ টি জীবিত গরু,একটি অগ্নেয়াস্ত্র ও ১৫ রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করে ।
১৮ ই আগষ্ট মালদায় পালিত হল স্বাধীনতা দিবস।
১৮ ই আগষ্ট মালদার স্বাধীনতা দিবস। ১৯৪৭ আগষ্টের ১৫ তারিখ ভারত স্বাধীন হলেও মালদা জেলা ভারতের অন্তর্ভুক্ত হয় ১৮ আগস্ট। এরপর থেকে প্রতিবছরই ১...







