Search This Blog

Followers

Wednesday, August 18, 2021

১৮ ই আগষ্ট মালদায় পালিত হল স্বাধীনতা দিবস।

 ১৮ ই আগষ্ট মালদার স্বাধীনতা দিবস। ১৯৪৭ আগষ্টের ১৫ তারিখ ভারত স্বাধীন হলেও মালদা জেলা ভারতের অন্তর্ভুক্ত হয় ১৮ আগস্ট। এরপর থেকে প্রতিবছরই ১৫ ই আগষ্টের পাশাপাশি ১৮ ই আগষ্ট জাতীয় পতাকা তুলে মালদা জেলায় স্বাধীনতা দিবস পালিত হয়।বুধবার বাবু পাড়া এলাকায় পতাকা উত্তোলন করে এই স্বাধীনতা দিবসটি পালিত হয়। 



     মালদা জেলার  প্রয়াত ইতিহাসবিদ তুষার কান্তি ঘোষ বলেছিলেন, মালদা জেলা ভারতভুক্তি একটা ইতিহাস। ব্রিটিশরা ঘোষণা করে বাংলা ও পাঞ্জাবের মুসলিম অধ্যুষিত এলাকা গুলি পাকিস্তানের সাথে যোগ করা হবে। আর হিন্দু অধ্যুষিত এলাকা গুলি থাকবে ইন্ডিয়ান ডোমিনিয়নে। সেইমতো মালদা জেলা পরে যায় তৎকালীন পূর্বপাকিস্তানে। আর এতেই ক্ষোভে ফেটে পরে মালদা বাসি। জেলা থেকে শুরু হয় আন্দোলন। ১৪ ই আগষ্ট পাকিস্তান স্বাধীন হয়। মালদা জেলার প্রশাসনিক ভবন, পুলিশ সুপারের দপ্তরে উত্তোলন করা হয় পাকিস্তানি জাতীয় পতাকা। জেলার দখল নেয় পাকিস্তানি খানসেনা। মুসলিম লীগের পক্ষ থেকে হিন্দুদের মালদহ ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। সেইমতো তারা প্রচার শুরু করে। কিন্তু এতে হিতের বিপরীত হয়। মালদহের হিন্দু বাসিন্দাদের পাশে এসে দাঁড়ায় মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষেরা। হিন্দুদের মালদার ছেড়ে যাওয়া তো দূরের কথা। উল্টে বেশিরভাগ মুসলিম মানুষ পরিষ্কার জানিয়ে দেন তারা কোনমতেই মালদার পাকিস্তান ভুক্তি মেনে নেবে না। তারা ভারতেই থাকবে। হিন্দু-মুসলিম একত্রিত হয়ে শুরু করে পাকিস্তান বিরোধী তীব্র আন্দোলন। এতে নেতৃত্ব দেয় মালদায় ইংলিশ বাজারের জমিদার বর্তমান রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী দুই দাদু যদু নন্দন চৌধুরী ও আশুতোষ নারায়ণ চৌধুরী। শহরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী দ্বারকা প্রসাদ বিহানী, স্বাধীনতা সংগ্রামী শান্তি সেন, কৃষ্ণ জীবন সান্যাল, নিকুঞ্জ বিহারী গুপ্ত জনসংঘ নেতা প্রয়াত হরিপ্রসন্ন মিশ্র। মালদহের মানুষের পাশে এসে দাঁড়ায় কংগ্রেস ও রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ। জেলা জুড়ে শুরু হয় তীব্র আন্দোলন।পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও পাকিস্তানি খান সেনা চাপ সৃষ্টি করে এই আন্দোলন দমাতে পারেনি। আন্দোলনের খবর পৌঁছায় ভারতের প্রথম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেলে কাছে। এরপরই ১৮ ই আগস্ট রেডিওতে আবার ঘোষণা করা হয়। তাতে বলা হয় মালদহ জেলার বেশিরভাগ অংশটি থাকবে ভারতে। সেই ঘোষণা মত জেলার পাঁচটি থানা চাঁপাই নবাবগঞ্জ, নাচোল, ভোলাহাট, শিবগঞ্জ ও গোমস্তাপুরকে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে রাজশাহী জেলার সাথে যোগ করা হয়। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর চাঁপাই নবাবগঞ্জকে পৃথক জেলা হিসেবে ঘোষণা করে। মালদহের বাকি ১০ টি থানা ইংরেজবাজার, মালদা, গাজোল, হবিবপুর, বামন গোলা, চাঁচোল, রতুয়া, মানিকচক, কালিয়াচক ও হরিশ্চন্দ্রপুর এই দশটি থানা এলাকা থেকে যায় ভারত ভূখণ্ডে। পরবর্তী সময়ে কালিয়াচক ভেঙে বৈষ্ণবনগর, রতুয়া ভেঙে পুখুরিয়া, ও মানিকচক ভেঙে ভূতনি। তিনটি আরো নতুন থানা তৈরি করা হয়। ১৮ ই আগস্ট এর ঘোষণার পরপরই মালদা জেলা জুড়ে আনন্দ উৎসবের ঢল নামে। মালদা জেলার মূল ভূখণ্ডের দখল নেয় ভারতীয় সেনা। জেলা প্রশাসনিক ভবনে ও জেলা পুলিশ সুপারের দপ্তরে লক্ষ লক্ষ মালদা বাঁশির উপস্থিতিতে ভারতের তিরঙ্গা পতাকা তোলা হয়।

            সেই ইতিহাসের স্মৃতিকে মাথায় রেখেই মালদা শহরের বাবু পাড়া এলাকা যেখান থেকে প্রথম পাকিস্তান বিরোধী আন্দোলন শুরু হয়েছিল। সেখানে ১৯৪৭ সাল থেকেই ১৮ ই আগস্ট জাতীয় পতাকা তুলে স্বাধীনতা দিবস পালন করা হয়।এখনো সেই রীতি প্রচলিত রয়েছে।



স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত হল বনগাঁ মহকুমা আদালতে। প্রতি বছর আজকের দিনে অর্থাৎ ১৮ ই আগস্ট বনগাঁ মহকুমা আদালতে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করা হয়।

 স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত হল বনগাঁ মহকুমা আদালতে। প্রতি বছর আজকের দিনে অর্থাৎ ১৮ ই আগস্ট বনগাঁ মহকুমা আদালতে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করা হয়। ১৯৪৭ সালের ১৫ই আগস্ট ভারতবর্ষ স্বাধীনতা লাভ করে। অন্যদিকে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁ সহ বেশকিছু বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ১৮ আগস্ট স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত হয়। ১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্ট-র ঠিক দু দিন পর অর্থাৎ ১৮ অগাস্ট দিনটি হল তাদের কাছে স্বাধীনতা দিবস।  কিন্তু কেন ১৮ই আগস্ট দিনটি বনগাঁ সহ বেশকিছু বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী অঞ্চলের ভারতীয় অধিবাসীরা স্বাধীনতা দিবস হিসেবে পালন করে, এর কারণ অনেকের কাছেই অজানা।

বনগাঁর স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন ১৯৪৭ সালের ১২ স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত হল বনগাঁ মহকুমা আদালতে। প্রতি বছর আজকের দিনে অর্থাৎ ১৮ ই আগস্ট বনগাঁ মহকুমা আদালতে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করা হয়। ১৯৪৭ সালের ১৫ই আগস্ট ভারতবর্ষ স্বাধীনতা লাভ করে। অন্যদিকে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁ সহ বেশকিছু বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ১৮ আগস্ট স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত হয়। ১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্ট-র ঠিক দু দিন পর অর্থাৎ ১৮ অগাস্ট দিনটি হল তাদের কাছে স্বাধীনতা দিবস।  কিন্তু কেন ১৮ই আগস্ট দিনটি বনগাঁ সহ বেশকিছু বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী অঞ্চলের ভারতীয় অধিবাসীরা স্বাধীনতা দিবস হিসেবে পালন করে, এর কারণ অনেকের কাছেই অজানা।বনগাঁর স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন ১৯৪৭ সালের ১২ ই আগস্ট তৎকালীন পরাধীন ভারতের ভাইসরয় লর্ড মাউন্টব্যাটেন ঘোষণা করেছিলেন ১৫ আগস্ট ভারতবর্ষকে স্বাধীনতা দেওয়া হবে। এই দিনটিই ভারতবাসী স্বাধীনতা দিবস হিসাবে পালন করবে। তৎকালীন ব্রিটিশ আধিকারিক সাইরিন রেডক্লিফ চিত্রিত ভারতীয় মানচিত্রে  তথাকথিত বাংলা থেকে গিয়েছিল খানিকটা বিতর্কিত অবস্থায়। বিশেষত বাংলার যে পার্টিশন করা হয়েছিল। তার মধ্যে বাংলার কিছু জেলা যেমন মালদা, নদিয়া সহ উত্তর ২৪ পরগনার হিন্দু জনসংখ্যা অধ্যুষিত এলাকা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান বা বর্তমান বাংলাদেশে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। স্বভাবতই এর ফলে কিছুটা বিরোধিতার মুখে পড়তে হয় ব্রিটিশ শাসকদের। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এই বিরোধিতা এতটাই চরম পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছোয় যে, শেষমেষ দ্বিতীয় বার মাউন্টব্যাটেন নতুন করে মানচিত্র তৈরি করার পরামর্শ দেন। তিনি স্পষ্ট জানান, হিন্দু সম্প্রদায় মানুষদের ভারতের অংশ হিসেবে এবং মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষদের পূর্ব পাকিস্তানে অর্থাৎ বর্তমান বাংলাদেশে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন এই সম্পূর্ণ বিষয়টি ১৭ ই আগস্ট রাতে সম্পন্ন হয় এবং ভারতবর্ষে অন্তর্ভুক্তি হওয়া স্বাধীনতার খবর তাদের কাছে ১৮ আগস্ট এসে পৌঁছায়। সেদিন থেকেই উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বন্দরসহ বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী বেশকিছু অঞ্চলের বাসিন্দারা ১৮ আগস্ট দিনটিকে তার স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে উদযাপন করে। ভারত বর্ষ স্বাধীন হয়েছে আজ ৭৫ বছর, স্বাধীনতার ৭৫ বছর পরেও সেই ধারাকে বজায় রেখে আজ ১৮ই আগস্ট বনগাঁ মহকুমা আদালতে লইয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের সহ সভাপতি কৃষ্ণপদ চন্দ্ জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে এই স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করেন। এদিনের এই স্বাধীনতা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে সরকারি আইনজীবী সমীর দাস সহ আদালতের সমস্ত আইনজীবী এবং ল-ক্লার্করা উপস্থিত ছিলেন।ই আগস্ট তৎকালীন পরাধীন ভারতের ভাইসরয় লর্ড মাউন্টব্যাটেন ঘোষণা করেছিলেন ১৫ আগস্ট ভারতবর্ষকে স্বাধীনতা দেওয়া হবে। এই দিনটিই ভারতবাসী স্বাধীনতা দিবস হিসাবে পালন করবে। তৎকালীন ব্রিটিশ আধিকারিক সাইরিন রেডক্লিফ চিত্রিত ভারতীয় মানচিত্রে  তথাকথিত বাংলা থেকে গিয়েছিল খানিকটা বিতর্কিত অবস্থায়। বিশেষত বাংলার যে পার্টিশন করা হয়েছিল। তার মধ্যে বাংলার কিছু জেলা যেমন মালদা, নদিয়া সহ উত্তর ২৪ পরগনার হিন্দু জনসংখ্যা অধ্যুষিত এলাকা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান বা বর্তমান বাংলাদেশে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। স্বভাবতই এর ফলে কিছুটা বিরোধিতার মুখে পড়তে হয় ব্রিটিশ শাসকদের। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এই বিরোধিতা এতটাই চরম পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছোয় যে, শেষমেষ দ্বিতীয় বার মাউন্টব্যাটেন নতুন করে মানচিত্র তৈরি করার পরামর্শ দেন। তিনি স্পষ্ট জানান, হিন্দু সম্প্রদায় মানুষদের ভারতের অংশ হিসেবে এবং মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষদের পূর্ব পাকিস্তানে অর্থাৎ বর্তমান বাংলাদেশে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন এই সম্পূর্ণ বিষয়টি ১৭ ই আগস্ট রাতে সম্পন্ন হয় এবং ভারতবর্ষে অন্তর্ভুক্তি হওয়া স্বাধীনতার খবর তাদের কাছে ১৮ আগস্ট এসে পৌঁছায়। সেদিন থেকেই উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বন্দরসহ বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী বেশকিছু অঞ্চলের বাসিন্দারা ১৮ আগস্ট দিনটিকে তার স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে উদযাপন করে। ভারত বর্ষ স্বাধীন হয়েছে আজ ৭৫ বছর, স্বাধীনতার ৭৫ বছর পরেও সেই ধারাকে বজায় রেখে আজ ১৮ই আগস্ট বনগাঁ মহকুমা আদালতে লইয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের সহ সভাপতি কৃষ্ণপদ চন্দ্ জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে এই স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করেন। এদিনের এই স্বাধীনতা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে সরকারি আইনজীবী সমীর দাস সহ আদালতের সমস্ত আইনজীবী এবং ল-ক্লার্করা উপস্থিত ছিলেন।

বর্ধমান পৌরসভায় পৌর প্রশাসক মণ্ডলীতে আইনুল হকের নাম ঘোষণা করার পর দ্বিতীয় দিনেও বিক্ষোভ অব্যাহত বর্ধমান পৌরসভায়।

 বর্ধমান পৌরসভায় পৌর প্রশাসক মণ্ডলীতে আইনুল হকের নাম ঘোষণা করার পর দ্বিতীয় দিনেও বিক্ষোভ অব্যাহত বর্ধমান পৌরসভায়। বিধায়ক ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা তথা পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারন সম্পাদক আব্দুল রবের নেতৃত্বে পৌরসভায় বিক্ষোভ দেখায়  কয়েকশো তৃণমূল কর্মী। তাদের দাবি অবিলম্বে আইনুল হককে পৌর প্রশাসক বোর্ড থেকে সরাতে হবে। গতকালের মত এদিনও চলে স্লোগান, বিক্ষোভ।  আব্দুল রব বলেন, বাম জমানায় আইনুল হক চেয়ারম্যান থাকাকালীন সাধারণ মানুষের সাথে দুর্ব্যবহার ও অত্যাচার  করতো। ভোটে জয়লাভ করা তৃণমূল কাউন্সিলারদের সাথে দুর্ব্যবহার করা হতো। তাই সাধারণ মানুষ ও তৃণমূল কর্মীরা আইনুল হককে সরানোর দাবিতে আজ রাস্তায় নেমেছে বলে জানান আব্দুল রব। দলের দুর্দিনে থাকা কর্মীরা আইনুল হককে পৌরসভায় কোন পদে মেনে নিতে পারছে  না বলে জানান তিনি । দলের নীচু স্তরের এই ক্ষোভের কথা উচ্চ নেতৃত্ত্বর কাছে পৌঁছানোর জন্য এবং যতক্ষন পর্যন্ত আইনুল হককে  এই দ্বায়িত্ব থেকে সরানো না হবে ততক্ষণ এই আন্দোলন চলবে বলে জানান আব্দুল রব। এই বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে যথেষ্ট সংখায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে বর্ধমান পৌরসভা চত্ত্বরে। যাকে সরানোর দাবিতে এই আন্দোলন সেই আইনুল হক বলেন, দলের সর্বোচ্চ নেত্রী তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাকে দলে নিয়েছেন, দ্বায়িত্ব দিয়েছেন। বর্ধমান শহরের চার লক্ষ মানুষের আশীর্বাদ আমাদের সাথে রয়েছে।, কে বা কারা আন্দোলন করছে আমার জানা নেই। 


 আন্দোলন মঞ্চে আন্দোলনকারীদের সাথে দেখা করতে আসেন বর্ধমান দক্ষিন কেন্দ্রের বিধায়ক খোকন দাস। আন্দোলনরত তৃণমূল কর্মীদের সাথে কথা বলেন তিনি। কর্মীদের বিক্ষোভ সম্পর্কে  দলীয় নেতৃত্ব জানতে চাওয়ায়  আমি কর্মীদের সাথে কথা বলতে এসেছি। ওদের দাবি দাওয়া আমি উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানাব। এরপর দল যা সিদ্ধান্ত নেবার নেবে।

Sunday, October 11, 2020

জয়নগর থানার উদ্যোগে প্রথম সারির ১০ কোভিড যোদ্ধা পেল বিশেষ বীমা কার্ড

 

 করোনা সংক্রমণের এর ভয়াবহতার কথা মানুষ যত জেনেছে ততই  আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে।বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই ভাইরাসে আক্রান্ত র সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়ে যাওয়া এবং মৃতের সংখ্যা বাড়তে থাকায় আক্রান্ত  ব্যাক্তি থেকে মৃত পরিবারের থেকে দূরত্ব বাড়াতে থাকে তাদের আত্মীয় পরিজন থেকে প্রতিবেশীরা।আর সেই সময় অর্থাৎ কোভিড পর্বের প্রথম থেকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পুলিশ প্রশাসনের সাথে বিশেষ আপদকালীন কাজে হাত লাগিয়েছিলেন বেশ কিছু মানুষ।জয়নগর থানার পক্ষ থেকে  সেই সব প্রথম সারির  ১০ কোভিড যোদ্ধা যারা কোভিড পর্বের প্রথম থেকেই পুলিশের সঙ্গে বিশেষ আপদকালীন সময়ে কাজ করে চলেছে, সে শ্মশানে কোভিড সন্দেহজনক মৃতদের দাহ করাই  হোক বা কবর দেওয়া, আর কোভিড সন্দেহজনক অসহায় রোগীদের এম্বুলেন্স এ তোলা নামানো ই হোক, এরকম ১০ জনের প্রত্যেকের জন্য ৫00000 টাকার বিশেষ কোভিড বীমা করে দেওয়া হয়। জয়নগর থানার আই সি অতনু সাঁতরার  উদ্যোগে -  ১০ ই অক্টোবর , শনিবার বারুইপুর পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার কামনাশিষ সেন জয়নগর থানায়  সেই সব কোভিড যোদ্ধাদের হাতে  ঐ বিশেষ বীমার কাগজ ও পলিসি কার্ড তুলে দেন।

Thursday, October 8, 2020

বিজেপি নবান্ন অভিযান ঘিরে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল হাওড়া ।

 

বি জে পি র নবান্ন অভিযানকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে একেবারে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল কোনা এক্সপ্রেসওয়ে ও হাওড়া ময়দান চত্বর । গতকাল রাত থেকেই বিভিন্ন জেলা থেকে বিজেপি কর্মী সমর্থকরা আসতে শুরু করে হাওড়া তে । মূলত দু'টি মিছিল করা হয় বিজিবির পক্ষ থেকে । একটি সাঁতরাগাছি বাসস্ট্যান্ড থেকে কোনা এক্সপ্রেসওয়ে ধরে যাবে নবান্নে , অপরটি হাওড়া ময়দান হয়ে মল্লিক ফটক, জিটি রোড ধরে যাবে নবান্নে । পুলিশের তরফ থেকে দুটি রাস্তায় সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয় । দুপুর বারোটার সময় দুই প্রান্ত থেকে দুটি মিছিল নবান্নের দিকে এগোতে থাকলে দুই প্রান্তে আটকানো হয় তাদের । ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশের পক্ষ থেকে আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে চালানো হয় জলকামান ফাটানো হয় একাধিক টিয়ার গ্যাসের শেল । তাদেরকে ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ এর পক্ষ থেকে লাঠিচার্য করা হয় । আন্দোলনকারীদের দিকে থেকেও পুলিশকে লক্ষ্য করে উড়ে আসতে থাকে ইট ও কাচের বোতল । সাইকেলের টায়ার জ্বালিয়ে ছোরা হয় পুলিশকে লক্ষ্য করে । ভাঙ্গা হয় পুলিশ কিওস, বাস স্ট্যান্ড এমনকি বেসরকারি বিজ্ঞাপনের হোডিংও । এরইমধ্যে মিছিল থেকে উদ্ধার হয় একটি নাইন এমএম পিস্তল । সব মিলিয়ে বিজেপি নবান্ন অভিযান ঘিরে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল হাওড়া ময়দান ও কোনা এক্সপ্রেসওয়ের সাঁতরাগাছি স্টেশন চত্বর ।

মধ্য গুড় গুড়িয়া গ্রামে একাধিক চাষী পেল সরকারি নানান পরিষেবা


বৃহস্পতিবার বিকালে মধ্য গুরগুরিয়া গ্রামে এলাকার চাষীদের বেশকিছু সরকারি পরিষেবা প্রদান করেন দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা পরিকল্পনা কমিটি ও সুন্দরবন উন্নয়ন পরিষদ কমিটির সদস্য গোপাল মাঝি।পশ্চিম বঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মাননীয়া মমতা ব্যানার্জীর অনুপ্রেরণায় সুন্দরবন উন্নয়ন বিষয়ক মন্ত্রী মন্টুরাম পাখিরার সহযোগিতায় মধ্য-গুড়গুড়িয়া গ্রোথ সেন্টার হইতে ১২৫জন চাষী বন্ধুদের প্রত্যেকের হাতে  ৫   কেজি করে, NPK সার 18 জন চাষীদের হাতে একটি করে ড্রাম. ও  22 জন চাষীর হাতে নেট তুলে দেওয়া হয় | চাষীদের হাতে তুলে দেন জেলা পরিকল্পনা কমিটি ও সুন্দরবন উন্নয়ন পরিষদ কমিটির সদস্য গোপাল মাঝি, বিশিষ্ট সমাজসেবী অর্জুন কৃষ্ণ বায়েন ও বিমল মন্ডল.|  অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পঃ সমিতির  সদস্য পীযুষবরণ দাস, শিক্ষক হিমাংশু দাস, সুনীল জানা এবং সেন্টারের ইনচার্জ সুব্রত নস্কর প্রমুখ| আমফন সুপার সাইক্লোন বিধ্বস্ত এলাকার মানুষ ওই সামগ্রী পাওয়ার তাঁরা খুব খুশী |

Tuesday, September 29, 2020

কর্মক্ষেত্রে বিশেষ সুরক্ষা র দাবী নিয়ে আশা কর্মীদের বিক্ষোভ

 করোনা আবহে কর্মক্ষেত্রে সুরক্ষার অভাব নিয়ে পথে নামলো আশা কর্মীরা। মঙ্গলবার সকালে হাওড়ার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় একশর বেশি আশা কর্মী মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক এর অফিসে জমায়েত হয়ে বিক্ষোভ দেখান। তারা ডেপুটেশন জমা দেন। 

আশা কর্মীদের অভিযোগ, করোনা পরিস্থিতিতে গ্রামের বাড়ি বাড়ি গিয়ে গত ছয় মাস কাজ করলেও তারা কোন সুরক্ষা সরঞ্জাম পাচ্ছেন না। মাস্ক, স্যানিটাইজার, পি পি ই, ফেস শিল্ড, গ্লাভস এবং সাবান কিছুই সাব সেন্টার অফিস থেকে তাদের দেওয়া হয় না। অনেক আশা কর্মী করোনায় আক্রান্ত হলেও সরকার থেকে কোন আর্থিক সহযোগিতা পাচ্ছেন না। এর পাশাপাশি করোনার জন্য 1000 টাকা অতিরিক্ত ভাতা তাদের দেওয়া হচ্ছে না। তাদের দাবি চাকরিতে নিরাপত্তা, 21 হাজার টাকা বেতন এবং পিএফ, গ্র্যাচুয়িটি সহ সুযোগ সুবিধা দিতে হবে। জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ভবানী দাস সুরক্ষা সরঞ্জাম না দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি দাবি করেন আশা কর্মীদের জন্য সব ধরনের সুরক্ষা সরঞ্জাম দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান আশা কর্মীদের দাবি পত্র তিনি বিবেচনার জন্য স্বাস্থ্য ভবনে পাঠিয়ে দেবেন।

বারুইপুর সংশোধনগারের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করল মানবাধিকার সংগঠন সি পি ডি আর

 বারুইপুর:  বারুইপুর সংশোধনগারে (জেলে) প্রায় ২৫ জন বন্দী ও পুলিশ কর্মী  করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।


যতদিন যাচ্ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে  বাড়ছে এই সংশোধনগারে। সরকার বাড়তি সতর্কতা  নেওয়ার কথা যখন বলছে, উন্মুক্ত সংশোধনাগারগুলোতে প্যারোল এক্সটেন্ড করেছে তখন বারুইপুর জেলে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ। সেই কারণে একগুচ্ছ দাবি নিয়ে মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে বারোটা নাগাদ জেলার সামনে বিক্ষোভ ও ডেপুটেশন কর্মসূচি পালন করল এই মানবাধিকার সংগঠন। এদের দাবি.....



১) বারুইপুর জেলে করোনা আক্রান্ত সকল বন্দী ও পুলিশ কর্মীদের উন্নত চিকিৎসা পরিষেবা নিশ্চিত করতে হবে।

২) সকল বন্দীদের প্যারোলে এবং প্যারোল এক্সটেন্ড করে মুক্তি দিতে হবে।

৩) জেলের অভ্যন্তরে করোনা আক্রান্ত পুলিশ ও কর্মীদের চিকিৎসা সুনিশ্চিত  করতে হবে।

৪) জেল খালি করে সম্পূর্ণভাবে স্যানিটাইজ করতে হবে।

৫) জেলের অভ্যন্তরে উপযুক্ত  চিকিৎসা ও মানোন্নয়নের পরিকাঠামো দ্রুত উন্নত করতে হবে।

বাড়ি বাড়ি পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হলো "জলস্বপ্ন" প্রকল্পের মাধ্যমে

 । 

 তালদি গ্রাম পঞ্চায়েতের আদলা গ্রামের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বপ্নের প্রকল্প "জলস্বপ্ন" ২০১৭ সালে এই প্রকল্পের শিলান্যাস করা হয়। ৬৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে, এই প্রকল্প টি তৈরি করা হয় আদলা গ্রামে। সেই দিন থেকে পাড়ায় পাড়ায় জলের পাইপ লাইন গেলেও বাড়িতে বাড়িতে জল পৌঁছায়নি। রবিবার আনুষ্ঠানিকভাবে বাড়িতে বাড়িতে জলের লাইন পৌঁছে দেওয়ার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন ক্যানিং পশ্চিম এর বিধায়ক শ্যামল মন্ডল দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার জেলা পরিষদের  বিদ্যুতের কর্মদক্ষ শৈবাল লাহিড়ী,ক্যানিং থানার আধিকারিক,  তালদি পঞ্চায়েতের উপপ্রধান কালীচরণ মাল ও পিএইচ ই ইঞ্জিনিয়ারের আধিকারিক। প্রায় ১৭০০ টি পরিবার অর্থাৎ সাড়ে আট হাজার মানুষজন এই পানীয় জলের পরিষেবা পাবেন জানালেন বিধায়ক শ্যামল মন্ডল।  এই মঞ্চ থেকে জানানো হয় যে অবৈধভাবে পাইপ কেটে জমিতে জল দেওয়া বা অন্য কাজে লাগালে আইনানুগভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বাড়িতে বাড়িতে জলের লাইন পৌঁছে দেওয়া খুশি এলাকাবাসী। কিন্তু এই সরকারই প্রকল্পের অনুষ্ঠানে দেখা গেল দলীয় পতাকা যাকে ঘিরে কটাক্ষ বিজেপির।

জলঙ্গীতে তক্ষক সহ গ্রেফতার এক

 তক্ষক সহ গ্রেপ্তার এক জলঙ্গিতে, ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার সকালে মুর্শিদাবাদের জলঙ্গি থানার ভাদুড়িয়াপাড়া কলিকাহারা গ্রাম এলাকায়, 

চোরা শিকারিদের দাপটে দিনের পর দিন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে প্রাকৃতিক সম্পদ, নষ্ট হচ্ছে বাস্তু তন্ত্র।শিকারিদের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছেনা হরিণ থেকে শুরু করে সুন্দরবনের রয়েল বেঙ্গল টাইগার ও।সাধারণ মানুষের সহযোগিতায় বনকর্মীরা নজরদারি বাড়িয়ে তা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালাচ্ছেন।তা সত্বেও মাঝেমধ্যেই ধরা পড়ছে চোরা শিকারিদের নানান চক্র। এবার তক্ষক সহ গ্রেপ্তার এক দুষ্কৃতী জলঙ্গিতে, ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার সকালে মুর্শিদাবাদের জলঙ্গি থানার ভাদুড়িয়াপাড়া কলিকাহারা গ্রাম এলাকায়, গোপন সূত্র পুলিশ খবর পায় ভাদুরিয়া পাড়া এলাকায় এক ব্যক্তি তক্ষক কেনাবেচা করছে,

সাথে সাথে জলঙ্গি থানার পুলিশ হানা দেয় ওই এলাকায় গ্রেফতার করে তক্ষক সহ হাফিজুল মণ্ডলকে,হাফিজুল ওই তক্ষক কোথা থেকে পেল কেনই বা এখানে নিয়ে এসেছিল তা জানার চেষ্টা করছে জলঙ্গি থানার পুলিশ ।

আজ জলঙ্গির থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিক শ্রী উৎপল দাস বন দপ্তরের হাতে উদ্ধার হওয়া ঐ তক্ষকটি তুলে দেন।

Saturday, September 19, 2020

বাংলাদেশে পাচারের সময় গরু ও আগ্নেয়াস্ত্র সহ যন্ত্র চালিত বোট আটক করলো সুন্দরবন উপকূল থানার পুলিশ





 শুক্রবার গভীর রাতে সুন্দরবন উপকূল থানার পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পায় কালিদাসপুর পঞ্চম ঘাটের বিপরীতে মরিচ ঝাঁপি জঙ্গলের  কাছে সশস্ত্র কয়েকজন দুষ্কৃতি যন্ত্র চালিত বোটে গরু নিয়ে বাংলাদেশের দিকে যাচ্ছে।সাথে সাথে  অভিযান চালিয়ে একটি যন্ত্র চালিত নৌকা আটক করে পুলিশ। পুলিশ আসছে জানতে পেরে ওই যন্ত্রচালিত নৌকোয় থাকা দুর্বৃত্তরা  পালিয়ে যায়। এফ আই বি পুলিশ অভিযানকারী বিশেষ দলটি ঐ যন্ত্র চালিত নৌকা তল্লাশি চালিয়ে ৯ টি জীবিত গরু,একটি অগ্নেয়াস্ত্র ও ১৫ রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করে ।



Thursday, September 10, 2020

আম্পান এর ক্ষতি পূরণের দাবিতে তির ধনুক ও ত্রিশূল নিয়ে বিক্ষোভ গ্রামবাসীদের

বসিরহাট মহাকুমার  হিঙ্গলগঞ্জ ,সন্দেশখালি, হাড়োয়া , মিনাখাঁ  সহ সুন্দরবনের বিভিন্ন ব্লকে আম্পানে ক্ষতিগ্রস্তদের নিয়ে রাজনীতি হয়েছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীদের ।প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তরা ক্ষতিপূরণ পাচ্ছে না, বিডিওর কাছে জানাতে গেলে পরোক্ষভাবে ভয় ও মারধরখেতে হচ্ছে বলে ও অভিযোগ গ্রামবাসীদের ।এরই প্রতিবাদে বসিরহাট টাউন হল থেকে ইছামতি ব্রিজ পর্যন্ত আদিবাসী জনকল্যাণ সমিতির  সদস্যরা তীর ধনুক নিয়ে মিছিল করে। পথ অবরোধ  করে ধর্নায় বসে, পুলিশের সামনে রীতিমতো তীর-ধনুক ত্রিশূল নিয়ে আদিবাসী সম্প্রদায়েরমানুষগুলি বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। 


 পাশাপাশি বসিরহাট মহকুমা শাসকের দপ্তরে সামনে অবস্থান বিক্ষোভে বসে তারা।  সুন্দরবন জনকল্যান সমিতি আদিবাসী সমিতির কয়েকশো আদিবাসী পুরুষ ও মহিলা রা এই বিক্ষোভ সমাবেশে অংশ নেয়। সমিতির পক্ষে সুকুমার সরদার বলেন প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তরা আমফানের টাকা পাচ্ছে না। এটা নিয়ে রাজনীতি হচ্ছে।


 চাইতে গেলে মস্তান দিয়ে ভয় দেখাচ্ছে। এরই প্রতিবাদে আজকে আমরা বসিরহাট  মহকুমা শাসক বিবেক ভস্মে র কাছে স্মারকলিপি দিতে এসেছি। যতক্ষণ পর্যন্ত এর সমাধান না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত অবস্থান-বিক্ষোভ ধরনা চলবে ।ঘটনাস্থলে বসিরহাট থানার বিশাল পুলিশবাহিনী পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে


পাকা সেতু নির্মাণের দাবিতে পঞ্চায়েতে তালা ঝুলিয়ে দিল গ্রামবাসীরা



গ্রামপঞ্চায়েত থেকে ব্লক প্রশাসন, জেলা প্রশাসন এমনকি উত্তরকন্যাতেও বহুবার লিখিত আবেদন করে এলাকার যোগাযোগ রক্ষার অন্যতম সেতুটি পাকা করার উদ্যোগ না নেওয়ায় গ্রামের বাসিন্দারা ক্ষোভে গ্রামপঞ্চায়েতের অফিসে তালা লাগিয়ে ঘেরাও করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করলেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ ব্লকের ভাতুন গ্রামপঞ্চায়েতে। আগামী দুএক মাসের মধ্যে এলাকার লোনাবতী নদীর উপরে পাকা সেতু নির্মানের ব্যাবস্থা না করা হলে ভোট বয়কট সহ বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুমকি দিয়েছেন ভাতুন গ্রামপঞ্চায়েত এলাকার প্রায় ৪০ টি গ্রামের বাসিন্দারা।


রায়গঞ্জ ব্লকের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী ভাতুন  গ্রামপঞ্চায়েতের বেশকিছু গ্রামের কয়েক হাজার বাসিন্দা এলাকায় লোনাবতী নদীর উপর সেতু না থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। বিশেষ করে বর্ষার সময় ভরা নদীতে নৌকা দিয়ে পারাপারে যেমন সমস্যা তেমনি শুকনোর সময়ে বাঁশের মাঁচার উপর দিয়ে প্রান হাতে করে চলাচল করতে হয় তাজপুর, ঝিনুকপুর, কইলাহারা, ধাঙ্গিপুকুর, মোহনপুর সহ প্রায় চল্লিশটি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষকে। রোগীকে রায়গঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া থেকে শুরু করে গ্রামের ছাত্রছাত্রীদের স্কুলে যাতায়াত,  ব্লক সদর রায়গঞ্জ শহরে আসা যাওয়া এমনকি ভাতুন গ্রামপঞ্চায়েত অফিসে আসাযাওয়া করতে চরম দুর্ভোগে পড়তে হয় তাদের। বহু বছর ধরে এলাকায় থাকা নদীর উপর পাকা সেতু নির্মানের দাবি করে আসছেন গ্রামের বাসিন্দারা কিন্তু কোনও সুরাহা হয়নি।  


প্রতিবারই ভোটের আগে নেতা মন্ত্রীরা পাকা সেতু নির্মানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে যান আর ভোট পার হলেই তা ভূলে যান রাজনৈতিক নেতারা। এলাকার বাসিন্দারা বলেন জেলার মন্ত্রী গোলাম রব্বানি নিজে এই গ্রামে এসে প্রতিশ্রুতি দিয়ে গিয়েছিলেন কিন্তু প্রতিশ্রুতি থেকে গিয়েছে প্রতিশ্রুতিতেই। স্বাধীনতার পর থেকে এই এলাকার মানুষ একটি সেতুর অভাবে চরম দুর্ভোগে কাটাচ্ছেন। তাঁরা অভিযোগ করে বলেন গ্রামপঞ্চায়েত থেকে ব্লক ও জেলা প্রশাসন এমনকি উত্তরকন্যাতে গিয়ে এলাকায় সেতু নির্মানের দাবি জানিয়ে এসেছেন। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের  " " "দিদিকে বলো " কর্মসূচিতেও আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু আজও সরকার থেকে কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তাই আজ বাধ্য হয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের দৃষ্টি আকর্ষনের জন্য ভাতুন গ্রামপঞ্চায়েত তালাবন্ধ করে ঘেরাও করে বিক্ষোভে শামিল হয়েছেন ওই অঞ্চলের গ্রামগুলির কয়েক হাজার বাসিন্দা৷ অবিলম্বে সরকার থেকে সেতু নির্মানের উদ্যোগ না নিলে এই গন আন্দোলন আরও বৃহত্তর আন্দলোনে পরিনত করা হবে। ভোট বয়কটের হুমকি দিয়েছেন ভাতুন গ্রামপঞ্চায়েত এলাকার কয়েক হাজার বাসিন্দা। 

নিট পরীক্ষার আগে রহস্যজনক ভাবে নিখোঁজ কোন্নগরের বাসিন্দা অভিক মন্ডল


  হুগলী জেলার কোন্নগর বিদিশা হাউসিংয়ের বাসিন্দা অভিক মন্ডল নিট পরীক্ষার এডমিট কার্ড ডাউনলোড করতে গিয়ে রহস্যজনক ভাবে নিখোঁজ হয়ে গেল।বৃহস্পতিবার অভিকের মা ঝর্ণা মন্ডল জানান গত মঙ্গলবার নিট পরীক্ষার এডমিট কার্ড ডাউনলোড করতে বেড়িয়ে আর বাড়ি ফেরেনি।অভিকের বাবা কোলকাতা পুলিশে কর্মরত।আগামী রবিবার কোলকাতা মিন্টো পার্কে নিট পরীক্ষা দেওয়ার কথা অভিকের কিন্তু তার হটাৎ করে নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় রহস্য দানা বেঁধেছে।

পরিবার  সূত্রে জানা গেছে মঙ্গলবার রাতে জিটি রোডের উপর অভিকের সাইকেল পাওয়া গেছে।উত্তরপাড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে অভিকের পরিবার।

ডোমজুড়ের বেগড়ি গ্রাম পঞ্চাপয়েত অফিস ঘেরাও করে তালা মেরে দিল বিজেপি পঞ্চায়েত সদস্যরা

 পঞ্চায়েত অফিসে তালা মারলো বিজেপি । তিন ঘন্টা পরে পুলিশ এসে তালা খুলে উদ্ধার করল উপপ্রধান সহ তেরোজনকে ।


ডোমজুড়ের বেগড়ি গ্রাম পঞ্চাপয়েত অফিস ঘেরাও করে তালা মেরে দিল বিজেপি পঞ্চায়েত সদস্যরা।বুধবার বিকেলে বিজেপির 8 জন পঞ্চায়েত সদস্য জেনারেল মিটিং বয়কট করে অফিসে তালা লাগিয়ে দেয়।

 এতে তৃণমূলের উপপ্রধান এবং প্রধান সহ ১৩ জন তৃণমূল সদস্য আটকে পড়েন। বিজেপি পঞ্চায়েত সদস্য এবং কর্মীরা অফিসের বাইরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। বিজেপির অভিযোগ  শুধুমাত্র তৃণমূল সদস্যদের কাজের বরাত দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু বিরোধী দল বিজেপি সদস্যদের কোন কাজের বরাত দেওয়া হচ্ছে না। ফলে জনপ্রতিনিধি হিসেবে এলাকার মানুষের কাছে তারা খাটো হয়ে যাচ্ছে। তারা এলাকার কাজ করতে পারছেন না। তারা সমস্ত সদস্যদের কাজের সমবন্টনের দাবি জানায়। ঘটনাস্থলে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় ছুটে আসে ডোমজুড় থানার পুলিশ। বিজেপির আরও অভিযোগ ঘূর্ণি ঝড়ের ক্ষতিপূরণ  নিয়েও দুর্নীতি হয়েছে। বিজেপির দাবি  তাদের আটজন সদস্যকে সমান কাজ দিতে হবে। পুলিশ এসে বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেয়। 

 প্রায় ৩ ঘণ্টা আটকে থাকার পর পুলিশ বিজেপি সদস্যদের কাছ থেকে  চাবি  নিয়ে পঞ্চায়েত  অফিসের তালা খোলে। তৃণমূলের পক্ষ থেকে বিজেপি তোলা যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। তৃণমূলের উপ প্রধানের দাবি বিজেপি সদস্যদের কাজ দেওয়া হয়। তারা মিথ্যা অভিযোগ করছে। অফিসে তালা দেওয়ার জন্য বিজেপির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে ও তিনি জানান।

Wednesday, August 12, 2020

চকলেট খেয়ে অসুস্থ শিশু ঘিরে আতঙ্ক ছড়ালো জামালপুরে

চকলেট খেয়ে শিশুদের অসুস্থ হয়ে পড়ার ঘটনায়  আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে।কোভিডে জেরবার ভারত সহ গোটা বিশ্ব।তারই মধ্যে আবার চকলেট খেয়ে শিশুদের অসুস্থ হয়ে পড়ার ঘটনায় তৈরি হয়েছে নতুন এক আতঙ্ক। ঘটনা বিষয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছে  অসুস্থ হয়ে পড়া জামালপুরের রাণাপাড়ার শিশুর পরিবার।অভিযোগ পাবার পরেই  প্রশাসনিক কর্তারা নড়েচড়ে বসেছেন।বিষয়টি নিয়ে ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরকে তদন্তের জন্য আবেদন করছে ব্লক প্রশাসন ।পাশাপাশি শিশুর অসুস্থ হয়ে পড়ার কারণ নিয়ে  শুরু হয়েছে  তদন্ত।জামালপুর ব্লকের আভুজহাটি ২ পঞ্চায়েত এলাকার  প্রত্যন্ত গ্রাম রানাপাড়া ।এই গ্রামেই বসবাস করেন লক্ষণ কোঙার ও তাঁর পরিবার। 


একটি নামি সংস্থার চকলেট খেয়ে ছেলে অসুস্থ হয়েছে বলে দাবি করেন লক্ষণ বাবু সোমবার জামালপুর থানা ,বিডিও ও ব্লক স্বাস্থ্য দপ্তরে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন।তার ভিত্তিতেই শুরু হয়েছে তদন্ত।প্রশাসনকে লক্ষণ বাবু জানিয়েছেন ,রানাপাড়া মোড়েই রয়েছে স্থানীয় সেখ  জহিরউদ্দিন  মোল্লার দোকান ।গত ৭ আগষ্ট ওই দোকান থেকে তিনি দুটি চকলেট কেনেন ।দোকানদার প্রতিটি চকলেটের  মূল্য  নেন ২০ টাকা । লক্ষণ বাবু ও তাঁর স্ত্রী লতাদেবী বলেন ,পরদিন সকালে ক্লাস ওয়ানে পড়া তাঁর ছেলে রাজদীপ ওই চকলেটের একটি খায়।এর পরেই রাজদীপ শারীরিক ভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে বলে পরিবারের অভিযোগ । 


 লক্ষণ বাবু প্রশাসনকে জানিয়েছেন ,চকলেট খাওয়ার পরেই তাঁর ছেলের মুখ বেকে যেতে থাকে । গা হাত পা ফুলে যায়। সারা  শরীরে র‍্যাস বেরিয়ে গিয়ে চুলকাতে শুরু করে ।এর পরেই তিনি ছেলেকে স্থানীয় এক চিকিৎসকের কাছে নিয়েযান ।ওই চিকিৎসক ছেলের চিকিৎসা করেন। চিকিৎসক জানিয়েদেন ,চকলেট খেয়ে বিষ ক্রিয়া হওয়ার কারণেই রাজদীপ অসুস্থ হয়ে পড়েছে । লক্ষণ বাবু জানান ,ওই চকলেট খেয়ে এলাকার আরও কয়েকজন শিশু একই রকম ভাবে অসুস্থ হয়েছে । রাজদীপের মা লতাদেবী আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ,“হয়তো নামি ব্র্যান্ডেড কোম্পানির মোড়কে নকল চকলেট বিক্রী হচ্ছে । যা খেয়ে তাঁর ছেলে অসুস্থ হয়ে পড়ে । ”দোকান মালিক সেখ জহিরউদ্দিন এদিন বলেন ,লক্ষণ বাবু তাঁর দোকান থেকেই দুটি চকলেট কিনেছিলেন । কেনার পরদিন সকালে তিনি জানান ওই চকলেট খেয়ে তাঁর ছেলে অসুস্থ হয়ে পড়েছে । যদিও চকলেটের এক্সপায়ারি ডেট ঠিক আছে  বলে লক্ষণ বাবুও জানিয়েছেন । কি কারণে এমনটা হল তা জানা নেই । জহিরউদ্দিন বলেন , সোমবার দোকানে পুলিশ তদন্তে এসেছিল । পুলিশ জানিয়েছে ,ওই চকলেট টেস্টিংয়ে পাঠাতে হবে। রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত দোকান খোলা যাবে না বলে পুলিশ জানিয়ে দিয়ে গেছে ।সেই কারণে দোকান বন্ধ রেখেছেন । জহিরউদ্দিন জানান ,যে কোম্পানি ওই চকলেট তাঁকে সরবরাহ করেছে তাদের লোকজনকেও  তিনি ঘটনার কথা জানিয়েছেন । জামালপুর ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের বিএমওএইচ 
চিকিৎসক আনন্দমোহন গড়াই বলেন ,“শিশুর বাবা লিখিত ভাবে ছেলের অসুস্থ হয়ে পড়ার কথা জানিয়েছে । তবে চিকিৎসার জন্য তিনি ছেলেকে হাসপাতালে আনেন নি ।চকলেট খেয়েই শিশুর  ফুড পয়েজেন হয়েছে কিনা তা চিকিৎসা না করে বলা সম্ভব নয় ।তবে প্রশাসন নিশ্চই চকলেট টেস্টিংয়ের ব্যবস্থা করবে। রিপোর্ট পেলে জানাবযাবে চকলেটে ক্ষতিকারক কোন উপাদান ছিল কিনা ।বিডিও শুভঙ্কর মজুমদার বলেন ,“ শিশুর বাবা ব্লক অফিসে অভিযোগ জমা দিয়েছেন । তবে এই ধরনের অভিযোগের বিষয়গুলি রাজ্যের ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তর দেখাশুনা করে । তাই শিশুর পরিবারের অভিযোগের বিষয়টি বুধবার জেলার  ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরের অ্যাসিন্ট্যান্ট ডাইরেক্টারের কাছে পাঠানো হচ্ছে। ওনারা  ঘটনার তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন।

Friday, August 7, 2020

করোনা আবহে অভিনব চিকিৎসায় "স্পর্শ "

করনা মহামারী যেভাবে ছড়িয়ে পড়ছে মানুষের মধ্যে, তাতেই আতঙ্কিত সাধারণ মানুষ। সেই মহামারীর সঙ্গে লড়তে এবার অভিনব উদ্যোগ দমকল মন্ত্রী সুজিত বসুর। স্পর্শ নামে চিকিৎসকদের একটি সংগঠন দল গঠন করলেন তিনি, যেখানে মূলত ২০ জন  বিভিন্ন বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক থাকবেন। করোনা আক্রান্ত রোগীদের পাশাপাশি যেকোনো রোগে আক্রান্ত রোগী বা তার পরিবার ঘরে  বসেই এই চিকিৎসক সংগঠনে ফোন করে অ্যাপোয়েন্টমেন্ট নিয়ে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে পরামর্শ নিতে পারবেন।

করোনা আক্রান্ত হওয়া সত্ত্বেও অনেকেই  বাড়িতেথাকছেন হাসপাতালে যাচ্ছেন না। কিন্তু তারা বাড়িতে থাকলেও অনেক সময় চিকিৎসকের সাহায্য চাইলেও পাচ্ছেন না। রাজ্য সরকার যেমন টেলি মেডিসিন সার্ভিস চালু করেছে। ঠিক তেমনই নিজের এলাকায়  " *স্পর্শ*" _প্রিয়জনে প্রয়োজন_ নামে সার্ভিস চালু করলেন দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু। শুধু করোনা নিয়ে নয় যে কোনও চিকিৎসার ব্যাপারে পরামর্শ নিতে পারবে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ। তার জন্য দুটো হেল্পলাইন নম্বর(7439596460/7439598338) খোলা হয়েছে যেখানে ফোন করে এই সুবিধা নিতে পারবে সাধারণ মানুষ। দুপুর ১২ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত যে কোনও ব্যাপারে পরামর্শ নিতে পারবে সাধারণ মানুষ। পাশাপাশি অতি জরুরী প্রয়োজন হলে যেকোনো সময় ফোন করলে সাহায্য পাবে যেকোন রোগী এমনটাই জানালেন মন্ত্রী সুজিত বসু।

Thursday, August 6, 2020

করোনা যোদ্ধাকে মারধোরের অভিযোগে গ্রেফতার এক

করোনা যোদ্ধাকে মারধোর, তার স্নানের ভিডিও ভাইরাল করার অভিযোগ৷ নির্যাতিতা বেলেঘাটা হাসপাতালে NICED  এ কর্মরত৷ অভিযোগের তীর বাড়ির লোকেরই বিরুদ্ধে৷ ঘটনাটি ঘটেছে নরেন্দ্রপুর থানা এলাকার ফরতাবাদে৷ এই ঘটনায় নরেন্দ্রপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে৷ ঘটনার তদন্তে নেমে একজনকে গ্রেফতারও করেছে পুলিশ৷ নির্যাতিতার অভিযোগ বিয়ের পর তার প্রথমে পুত্র সন্তান হলেও ৭দিনের মাথায় সে মারা যায়৷ তারপর পরপর দুটি কন্যা সন্তান হয়েছে তার ৷


  কন্যা সন্তান হয়েছে বলে তার সম্পত্তির প্রয়োজন নেই,এই  কারণে বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে বলা হয় তাকে ৷ তা না করায় মারধোর করার অভিযোগ৷ইলেকট্রিক মিটার ঘর ভাঙচুর করা হয়েছে তার ৷ তার দুই নাবালিকা মেয়েরও স্নানের ভিডিও ভাইরাল করা হয়েছে ৷ বন্ধ করে দেওয়া হয় তার ঘরের জলের লাইন ৷ অভিযোগের তীর শ্বাশুড়ি ইলা মন্ডল, ভাসুর প্রদীপ মন্ডল, জা ভবানী মন্ডল, জা এর ছেলে শান্তনু মন্ডল ও তার বৌ অনিতা মন্ডল এবং ননদ শর্মিষ্ঠা মন্ডল ও নন্দাই মিহির মন্ডলের বিরুদ্ধে৷ এই ঘটনায় ভাসুর প্রদীপ মন্ডলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ৷ তার বিরুদ্ধেই নির্যাতিতা ও তার দুই নাবালিকা কন্যা সন্তানের স্নানের ভিডিও ভাইরাল করার অভিযোগ৷

Tuesday, August 4, 2020

কোটি টাকা ব্যাংক প্রতারণা র অভিযোগে সল্ট লেকে গ্রেফতার এক

গ্রাহকের অজান্তে ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে ব্যাংক একাউন্ট।সেই চক্রের এক মাথাকে গ্রেফতার করলো বিধান নগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ।

সল্টলেকের বেসরকারি ব্যাংকের গ্রাহকের এস এম এস ও মেল আইডি চেঞ্জ করে এক গ্রাহকের ব্যাংক একাউন্ট থেকে প্রায় তিন কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতার এক।অভিযুক্তের নাম সমীরণ সাহা (খরদহ)।ধৃত ব্যক্তি এ্যান্টিক জিনিস এর ব্যবসা করে বলে প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পারে।পুলিশ এর অনুমান এই ঘটনায় ব্যাংকের কেউ জড়িত আছে , তা না হলে কি করে এই ভাবে তথ্য বাইরে বেরোয়। পুলিশ ঐ ব্যক্তির খোঁজ চালাচ্ছে ।
পুলিশ সূত্রে খবর,৩০/৭/২০২০ তারিখে সল্টলেকের সেক্টর ফাইভের বেসরকারি ব্যাংকের রিজিওনাল ম্যানেজার (আই সি আই সি ব্যাংক)
থানায় অভিযোগ করে যে তার বাগুইআটি এলাকায় ব্রাঞ্চ থেকে এক গ্রাহকের একাউন্ট থেকে প্রায় তিন কোটি টাকা বিভিন্ন একাউন্টে ট্রান্সফার হয়।সেই মতো পুলিশ তদন্তে নামে।এর পর বিধান নগর সাইবার ক্রাইম থানা তদন্ত শুরু করে।তদন্তে নেমে পুলিশ খরদহ এর বাসিন্দা সমীরণ সাহাকে গ্রেফতার করে।
জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পারে যে ,অভিযুক্ত সমীরণ কোনো ভাবে ওই ব্যাংকের গ্রাহকদের ডিটেলস সংগ্রহ করে।এর পর ব্যাংকে গ্রাহক পরিচয় দিয়ে সমস্ত তথ্য দিয়ে জানায় কোনো কারণে তার ব্যাংকের এস এম এস এলার্ট নাম্বার ও মেল আইডি চেঞ্জ করতে হবে।সেই মতো চেঞ্জ হয়ে যায়।এর পর একটি app ডাউনলোড করে (আই মোবাইল app)।সেখান থেকে ওই গ্রাহকের একাউন্ট থেকে বিভিন্ন একাউন্টে টাকা ট্রান্সফার করে নেয়।এই ভাবেই সে প্রতারণা করতো।যেহেতু এস এম এস এলার্ট নাম্বার চেঞ্জ হয়ে যেত সেই কারণে গ্রাহক কিছুই জানতে পারতো না।
এখানেই প্রশ্ন এই অভিযুক্ত কি ভাবে ব্যাংকের গ্রাহকের ডিটেলস পেয়ে যেত তবে কি এই সব কিছুর পিছনে ব্যাংকের কেউ জড়িত আছে ? সেই বিষয় তদন্ত করে দেখছে তদন্তকারি পুলিশ কর্তারা।মঙ্গলবার ধৃতকে বিধান নগর কোর্টে তুলে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানায় পুলিশ।এই ঘটনার সাথে বাকি আর কারা জড়িত আছে সেই বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

চলন্ত অটোতে তরুণীর শ্লীলতাহানি ,গ্রেফতার অটো চালক।

চলন্ত অটোতে তরুণীর শ্লীলতাহানির ঘটনায় গ্রেফতার আটো চালক।নাম প্রলয় মল্লিক।গ্রেফতার করে বিধান নগর উত্তর থানার পুলিশ।আজ তাকে বিধান নগর মহকুমা আদালতে তোলা হবে।


পুলিশ সূত্রে খবর ,রবিবার সন্ধ্যে সাত টা নাগাদ সল্টলেকের বাসিন্দা এক তরুণী বিধান নগর স্টেশন থেকে বাড়ি ফেরার উদ্যেশে অটোতে ওঠে ।এর পর সল্টলেকে ঢোকার পর বিভিন্ন রাস্তায় ঘোরাতে থাকে বলে অভিযোগ।এবং তাকে শ্লীলতাহানি করা হয়।রাস্তায় কোনো ভাবে অটো থেকে নেমে বাড়ি চলে যায়।পরিবারকে সব কথা জানবার পর গতকাল অটো নাম্বার দিয়ে বিধান নগর উত্তর থানায় অভিযোগ করা হয়।সেই অভিযোগের ভিত্তিতে গতকাল রাতে অটো চালক প্রলয় মল্লিককে গ্রেফতার করে।

১৮ ই আগষ্ট মালদায় পালিত হল স্বাধীনতা দিবস।

 ১৮ ই আগষ্ট মালদার স্বাধীনতা দিবস। ১৯৪৭ আগষ্টের ১৫ তারিখ ভারত স্বাধীন হলেও মালদা জেলা ভারতের অন্তর্ভুক্ত হয় ১৮ আগস্ট। এরপর থেকে প্রতিবছরই ১...